মঙ্গলবার, ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭

ইসলামে মানুষের মর্যাদার মাপকাঠি

কেউ বলে ধনসম্পদ, কেউ বলে  বড় কোনো পদ, আবার কেউ বলে বাহ্যিক আকার-আকৃতি বা উত্তম হৃদয়, কিন্তু মানুষের মর্যাদার প্রকৃত মাপকাঠি কী? মানুষের দৃষ্টিকোণকে পরিশুদ্ধ করে কুরআন ও হাদীস এক্ষেত্রে কি মানদণ্ড নির্ধারণ করেছেন?
মানুষের মধ্যে কোন্ গুণ থাকলে সে মর্যাদা লাভ করবে আর কোন্ গুণের মর্যাদা হারাবে এ ব্যাপারে আমরা একেক রকম ধারণা পোষণ করি। কেউ মনে করি, অঢেল সম্পদের মালিক হলে কিংবা প্রভাব প্রতিপত্তিশীল হলে মানুষ সম্মান পাওয়ার উপযুক্ত হয়। আবার কেউ মনে করি, বড় কোনো পদের অধিকারী হলেই কেবল সম্মানের উপযুক্ত হওয়া যায়।
কিন্তু সম্মানের এ মাপকাঠি আমরা নিজেরা তৈরি করে নিয়েছি। অথচ আল্লাহ তাআলা পবিত্র কুরআনে সম্মানের যে মাপকাঠি বর্ণনা করেছেন এবং রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সম্মানের যে মানদণ্ড নির্ধারণ করেছেন তা আমাদের এ মাপকাঠি থেকে ভিন্ন।
 আল্লাহ তাআলা এবং তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকওয়া এবং ধর্মনিষ্ঠাকে সম্মানের মাপকাঠি হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন: নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে আল্লাহর নিকট সেই সবচে বেশি সম্মানিত যে তোমাদের মধ্যে অধিক তাকওয়াধারী (সূরা আল হুজুরাত: ১৩)।
রাসূলে কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: আল্লাহ তাআলা তোমাদের আকার-আকৃতি ও ধনসম্পদ দেখেন না। তিনি তোমাদের মনের অবস্থা ও আমল দেখেন (মুসলিম)। এ হাদীস থেকে বুঝা যায় যে, বাহ্যিক আকার-আকৃতি ও ধনসম্পদ উত্তম মানুষের আলমত নয়, বরং উত্তম মানুষের আলামত হলো উত্তম হৃদয় ও উত্তম আমলের অধিকারী হওয়া।
 ইবরাহীম আ. এর ধনসম্পদের প্রাচুর্য ছিল না। তিনি কোনো রাজা-বাদশাহও ছিলেন না। তবে তাঁর ছিল আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠতা এবং তাওহীদের মহা প্রাচুর্য, যার কারণে তাঁকে একাই একটি জাতি বলে আল কুরআনে উল্লেখ করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন: ইবরাহীম ছিলেন আল্লাহ তাআলার অনুগত একনিষ্ঠ উম্মত। তিনি মুশরিক ছিলেন না (সূরা আন-নাহল:১২০)। এখানে আল্লাহ তাআলা ইবরাহীম আ. এর প্রশংসা করতে গিয়ে ধন-সম্পদের কথা বলেননি বরং তার সম্মানের কারণ হিসেবে ঈমান ও আল্লাহর আনুগত্যের কথা বলেছেন। মানুষের মর্যাদার প্রকৃত মাপকাঠি কী? প্রবন্ধটি বিস্তারিত পড়ার জন্য: ••►  bn.islamkingdom.com/s2/46651

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন