বুধবার, ২৫ মে, ২০১৬

পাঁচ মিনিট সময় আপনার পুরা জীবনের অজু শুদ্ধ করে দিতে পারে

রমজান মাসের শুভ আগমন, রমজান হলো ইবাদাতের মাস, আমরা এই পবিত্র মাসে সবাই কম বেশি নামাজ আদায়ের চেষ্টা করি, কিন্তু যদি নামাজের মাসায়েল গুলো জানা না থাকে তাহলে নামাজ কি শুদ্ধ হবে? নামাজ শুদ্ধ হতে হলে প্রথমে অজু শুদ্ধ হতে হবে, তাই অজুর মাসায়েল গুলো জেনে নিন, পাঁচ মিনিট সময় দিন, অজুর সব মাসায়েল গুলো সচিত্র এবং ভিডিও সহ জেনে নিতে পারবেন।
অজুর পদ্ধতি
১- অন্তরে অজুর নিয়ত করা।
২- বিসমিল্লাহ বলা।
৩- হাতের দুকব্জি পর্যন্ত ধৌত করা (তিনবার)।
৪- মেসওয়াক করা: এর সময় হলো কুলি করার মুহূর্তে।
৫- কুলি করা, নাকে পানি দেয়া, নাক ঝাড়া (তিনবার)।
কুলি করা অর্থ : মুখের মধ্যে পানি প্রবেশ করিয়ে নাড়াচাড়া করা
নাকে পানি দেয়া অর্থ: নিশ্বাসের সাথে নাকের মধ্যে পানি টেনে নেয়া।
নাক ঝাড়া অর্থ: নাকের ভিতর থেকে পানি বের করা।
৬- মুখমন্ডল ধৌত করা (তিনবার) দাড়ি খেলাল করাসহ।
৭- আঙ্গুলের মাথা থেকে কনুই পর্যন্ত ডান হাত তিনবার ধৌত করা। অতঃপর একইরূপে বাম হাত ধৌত করা।
৮- মাথা মাসেহ করা: আর তার পদ্ধতি হলো প্রথমে হাত পানি দিয়ে ভিজিয়ে নেয়া। এরপর মাথার সামনের দিক থেকে পিছনের দিকে চুলের শেষ সীমানা পর্যন্ত হাত বুলানো। এরপর পেছনের দিক থেকে সামনের দিকে হাত ফিরিয়ে আনা (একবার)।
৯- তর্জনী অঙ্গুলি দিয়ে কানের ভিতরে মাসেহ করা আর বৃদ্ধাঙ্গুলি দিয়ে কানের বাহিরের অংশ মাসেহ করা (একবার)।
১০- ডান পা টাখনু পর্যন্ত ধৌত করা (তিনবার) অতঃপর একইরূপে বাম পা ধৌত করা ।
১১- অজু শেষ করার পর এই দুআ পাঠ করা
বিস্তারিত জানার জন্য ••►
ভিডিওটি দেখার জন্য ••►


বুধবার, ১৮ মে, ২০১৬

আল-মু'মিন, আল-মুহাইমিন, আল্লাহ তায়ালার পবিত্র নাম

আল্লাহ তায়ালার পবিত্র নামসমূহের মধ্যে আছে, আল-মু'মিন এবং আল-মুহাইমিন, ইহার অর্থ হলঃ নিরাপত্তা দানকারী ও রক্ষণাবেক্ষণকারী, যিনি বান্দাদের মাঝে শান্তি ছড়িয়ে দেন এবং সৃষ্টিজগতের মাঝে নিরাপত্তা বিধান করেন। আল্লাহ তায়ালা যথার্থ তদারককারী, যিনি সকল বিষয়ের গোপন রহস্য ও ভেদ সম্পর্কে জানেন। সব বিষয় যার জ্ঞানের আয়ত্বে রয়েছে।
আল্লাহ তায়ালার পবিত্র নামসমূহ এবং ইহার অর্থসহ বিস্তারিত জানার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন ••►



বৃহস্পতিবার, ১২ মে, ২০১৬

ইসলামের শিক্ষাসমূহ মানবজাতির কল্যাণের দিকে ডাকে

ইসলাম সব সময় কল্যাণের দিকে ডাকে, তার প্রতিটি বিধানে মানবজাতির কল্যাণ আছে, রাস্তাই পরে থাকা কোনো জিনিস যেটা মানুষের ক্ষতি করতে পারে এটা সরাই দেওয়াও ইসলামের হুকুম। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ তোমরা মানবগোষ্ঠীর জন্য এক শ্রেষ্ঠ সমাজরূপে উত্থিত হয়েছ, -- তোমরা ন্যায়ের পথে নির্দেশ দাও ও অন্যায় থেকে নিষেধ করো, আর আল্লাহ্‌তে বিশ্বাস রাখো ...। (সুরাআলে ইমরান, আয়াতঃ ১১০)।গোল্ড জিহের ইহুদী প্রাচ্যবিশেষজ্ঞ, তিনি ইসলাম নিয়ে গবেষণা করেছেন, তিনি বলেনঃ "আমরা যদি ইসলামের প্রতি সুবিচারক হই, তবে আমাদের একথার সাথে একমত হওয়া অত্যাবশ্যকীয় যে, ইসলামের শিক্ষাসমূহ কার্যকর শক্তিশালী, যা কল্যাণের দিকে ডাকে। এ শক্তিতে শিক্ষাপ্রাপ্ত হলে মানুষ উত্তম জীবন লাভ করতে পারে,যাতে নৈতিকতার দৃষ্টিকোণে কোন অপরিচ্ছন্নতার অবকাশ থাকেনা। ইসলামের এ সব শিক্ষাসমূহ আল্লাহর সমস্ত সৃষ্টির প্রতি দয়া, মানুষের সাথে আমানত রক্ষা, ভালবাসা, ইখলাস ও কুরিপু দমন ইত্যাদির দিকে ডাকে। এভাবে সব ভাল গুনের দিকে আহবান করে। এর ফলে একজন সঠিক মুসলমান নৈতিকতার যাবতীয় সূক্ষ্ম ধারা তার জীবনে প্রস্ফুটিত করে সুন্দর জীবন যাপন করে"। কোথাই কোন মুসলমানে কি করছে এটা নিয়ে আমরা ইসলামের উপর হুকুম লাগাতে পারবনা, আমাদের দেখতে হবে ইসলাম কি বলে। ভাল কাজ করা, আর খারাপ কাজ, কথা থেকে বিরত থাকা ইসলামে ঈমানের অংশ।


রবিবার, ৮ মে, ২০১৬

নিজেই নিজের চিকিৎসা করুন

মানুষ অনেক সময়ই কোন ব্যাপারে অক্ষমতা ও সামর্থ্যহীনতা অনুভব করে। তখন তার চাহিদা পূরণে তার চেয়ে শক্তিশালী কারো সাহায্য কামনা করে ও তার উপর ভরসা করে। আল্লাহ তায়ালার চেয়ে কে অধিক শক্তিশালী?! নিশ্চয়ই আসমান ও জমিনের মালিক সর্বশক্তিমান আল্লাহ তায়ালার উপর ভরসাই সৌভাগ্যের চাবিকাঠি। মার্কিন মনোবিজ্ঞানী উইলিয়াম জেমস বলেনঃ মানসিক দুশ্চিন্তার সবচেয়ে বড় চিকিৎসা হল, আল্লাহর উপর ঈমান


বৃহস্পতিবার, ৫ মে, ২০১৬

ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহুকে প্রিয় নবীর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা

ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি একদা (সওয়ারীর উপর) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পিছনে (বসে) ছিলাম। তিনি বললেন, ''ওহে কিশোর! আমি তোমাকে কয়েকটি (গুরুত্বপূর্ণ কথা শিক্ষা দেব (তুমি সেগুলো স্মরণ রেখো)।তুমি আল্লাহর (বিধানসমূহের) রক্ষণাবেক্ষণ কর (তাহলে) আল্লাহও তোমার রক্ষণাবেক্ষণ করবেন। তুমি আল্লাহর (অধিকারসমূহ) স্মরণ রাখো, তাহলে তুমি তাঁকে তোমার সম্মুখে পাবে। যখন তুমি চাইবে, তখন আল্লাহর কাছেই চাও। আর যখন তুমি প্রার্থনা করবে, তখন একমাত্র আল্লাহর কাছেই সাহায্য প্রার্থনা কর। আর এ কথা জেনে রাখ যে, যদি সমগ্র উম্মত তোমার উপকার করার জন্য একত্রিত হয়ে যায়, তবে ততটুকুই উপকার করতে পারবে, যতটুকু আল্লাহ তোমার (তাকদীরে) লিখে রেখেছেন। আর তারা যদি তোমার ক্ষতি করার জন্য একত্রিত হয়ে যায়, তবে ততটুকুই ক্ষতি করতে পারবে যতটুকু আল্লাহ তোমার (তাকদীরে) লিখে রেখেছেন। কলমসমূহ উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং খাতাসমূহ (তাকদীরের লিপি) শুকিয়ে গেছে'' হাদীসটি ইমাম তিরমিযি বর্ণনা করেছেন। তাকদীরের উপর বিশ্বাস রাখলে মানব সমাজ অনেক রোগ থেকে মুক্তি পাবে। মার্কিন লেখক ডেল কার্নেগী বলেনঃ মানসিক ডাক্তারগন মনে করেন যে, মজবুত ঈমান, ধর্মাচার, ও প্রার্থনা উদ্বেগ, ভয় ও স্নায়ুতন্ত্রের উত্তেজনা দমন করার জন্য, এবং আমরা যে সব রোগে ভুগছি এর অর্ধেক নিরাময় করার জন্য যথেষ্ট
bn.islamkingdom.com/s1/5376


বুধবার, ৪ মে, ২০১৬

গোপনে গুনাহ করতেছেন? আল্লাহ আপনাকে দেখেন না? আপনার অঙ্গ প্রত্যঙ্গ কি সাক্ষী থাকে না?

আল্লাহ তায়ালার নাম ও গুণাবলীর উপর ঈমান আনার ফলে বান্দার মাঝে যেসব প্রভাব ও উপকারিতা পরিলক্ষিত হয়, তার মধ্যে একটি হলো, বান্দা গোপনে গুনাহ করা থেকেও বিরত থাকে, কারন বান্দা যখন জানবে- আল্লাহর নামসমূহের একটি হলো- আল-আলীম, ইহার অর্থ হলঃ তিনি সর্বজ্ঞ, মহাজ্ঞাণী, পরিবেষ্টনকারী। তিনি এমন সত্তা যার জ্ঞান পরিবেষ্টন করে নিয়েছে বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ, সম্ভব, অসম্ভব এবং ঊর্ধজগত ও নিন্মজগতকে, অতীত বর্তমান ও ভবিষ্যতকে- তখন সে গোপনেও গুনাহ করতে পারে না, সব সময় মনে করবে আল্লাহ আমাকে দেখতেছে। এপ্রসঙ্গে একটি ঘটনা বলা যেতে পারে, এক রাজা একদিন একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করলেন, তিনি বললেন, এই কাজটি যদি তোমাদের মধ্যে কেউ এমন জায়গায় করতে পারে, যেখানে কেউ তাকে দেখবে না, তাহলে তাকে বড় ধরনের পুরস্কার দেওয়া হবে, সবাই করে এসে বলল, আমি করছি.. আমি করছি, রাজা বললেনঃ তোমাকে কি আল্লাহ দেখেন নি?। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ আজ আমি তাদের মুখে মোহর এঁটে দেব তাদের হাত আমার সাথে কথা বলবে এবং তাদের পা তাদের কৃতকর্মের সাক্ষ্য দেবে। (সূরা:  ইয়াসিন, আয়াত:৬৫) তিনি আরও বলেনঃ তারপর যাকে তার বই তার ডান হাতে দেয়া হবে সে তখন বলবে- ''নাও, আমার এই বই পড়ে দেখো! (সূরা:  আল-হাককাহ, আয়াত:১৯) সুতরাং গোপনে গুনাহ করা থেকে সতর্ক থাকুন। আল্লাহ তায়ালা স্বয়ং এর সাক্ষী থেকে যান।



মঙ্গলবার, ৩ মে, ২০১৬

গুনাহ করছেন? নৈরাশ হবেন না, আল্লাহ তায়ালা অনুতপ্ত ব্যক্তির পাপ মার্জনা করেন

আল্লাহ তায়ালার নাম ও গুণাবলীর উপর ঈমান আনার ফলে বান্দার মাঝে যেসব প্রভাব ও উপকারিতা পরিলক্ষিত হয়, তার মধ্যে একটি হলো, বান্দা গুনাহ করেও ভয় পেয়ে যায় না, কারন সে জানে যে- আল্লাহর একটি নামঃ আত্-তাওয়াব, ইহার অর্থ হলঃ তওবাকবুলকারী। আল্লাহ তায়ালা তওবাকারীর তওবা সর্বদা কবুল করেন। অনুতপ্ত ব্যক্তির পাপ মার্জনা করেন। যে কেউই আল্লাহর কাছে খাঁটি দিলে তওবা করে তিনি তার তওবা কবুল করেন। তিনি তওবা কবুলকারী..যিনি পরম অনুগ্রহে আপন বান্দাদের জন্য তওবার বিধান রেখেছেন; বরং এর চেয়ে বড় কিছুরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। সেটা হলো- তিনি গুনাহকে পূণ্যে পরিবর্তিত করার ওয়াদা করেছেন। আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেনঃ যে গোনাহ, করে কিংবা নিজের অনিষ্ট করে, অতঃপর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করে, সে আল্লাহকে ক্ষমাশীল, করুণাময় পায়। (সূরা:  আন-নিসা, আয়াত: ১১০)



সোমবার, ২ মে, ২০১৬

ইসলামে প্রতিবেশীর অধিকার

মানুষ হিসাবে আমাদেরকে সমাজবদ্ধ জীবন যাপন করতে হয়। আর সমাজে বসবাস করলে অবশ্যই সেখানে প্রতিবেশী থাকে। প্রতিবেশী ভালো হলে সামাজিক জীবন সুন্দর ও মধুময় হয়। এর বিপরীতে প্রতিবেশী মন্দ হলে সমস্যার কোনো শেষ থাকে না। তাই ইসলামে প্রতিবেশী নির্বাচনের প্রতি অত্যাধিক গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। প্রতিবেশী ভালো হোক বা খারাপ হোক- প্রতিবেশীর অনেক অধিকার রয়েছে। নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন: আল্লাহর কসম সে মুমিন নয়, আল্লাহর কসম সে মুমিন নয়, আল্লাহর কসম সে মুমিন নয়, প্রশ্ন করা হলো কে সে হে আল্লাহর রাসূল ? তিনি বললেন: প্রতিবেশী, যার কষ্ট থেকে তার প্রতিবেশী নিরাপদ নয় (আহমাদ)। তিনি আরও বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন নিজ প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেয় (বুখারী)। তিনি প্রতিবেশীকে সম্মান করার তাগিদ দিয়েছেন, তিনি বলেনঃ যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের প্রতি ঈমান রাখে সে যেন তার প্রতিবেশীকে সম্মান করে (বুখারী)। ইসলাম ধর্ম কতই সুন্দর, দেখুন প্রিয় নবী কি বলেনঃ তিনি বলেন- তুমি যখন তরকারি রান্না করবে তখন তাতে বেশি করে পানি দেবে অতঃপর তোমার প্রতিবেশীদের কারো খবর নিয়ে তা থেকে তাদেরকে কিছু দেবে (মুসলিম)। তিনি আরও বলেনঃ  “সে ব্যক্তি মুমিন নয় যে নিজে তৃপ্তি সহকারে আহার করে, অথচ তার প্রতিবেশী অনাহারে থাকে (বায়হাকী)
বিস্তারিত পড়তে এই লিংকে ক্লিক করুন ••►