শনিবার, ২৯ এপ্রিল, ২০১৭

আল্লাহর নাম ও গুণাবলী অনুধাবনের ক্ষেত্রে কিছু জ্ঞাতব্য ও লক্ষণীয় বিষয়

আল্লাহর নাম ও গুণাবলী অনুধাবনের ক্ষেত্রে কিছু জ্ঞাতব্য ও লক্ষণীয় বিষয়
১- নিশ্চয় আল্লাহর সমস্ত নামই অতীব সুন্দর। আল্লাহ তা'আলা বলেন: {আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম} [সূরা: আরাফ, আয়াত: ১৮০।]
- আল্লাহর গুণাবলী ও নামসমূহের অনেক বাস্তবিক অর্থ রয়েছে, রূপক অর্থ নয়। আর সেসব গুনবাচক নাম আল্লাহর সত্তা ও তাঁর সত্তার মধ্যে থাকা অনাদী গুনাবলীকে প্রমাণ করে। যেমন: আল-কাদির আল-আলিম”“আল-হাকীম আল-সামি আল-বাছির। নিশ্চয় এসব মহিমান্বিত নামসমূহ আল্লাহ তা'আলার পবিত্র সত্তার জন্য উপরোক্ত গুন-বৈশিষ্ট্যকে প্রমাণ করে।
৩- আল্লাহর নামসমূহের প্রতি বিশ্বাস স্থাপন করা: আল্লাহর গুনবাচক নামের প্রতি বিশ্বাস যেমন জরুরী, তাঁর নামের সূত্রমূলকে বিশ্বাস করাও তেমনই জরুরী। যেমন আল্লাহর নাম 'রহীম' প্রমাণ করে যে, নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলার মধ্যে 'রহমত' গুণ রয়েছে। অতএব তিনি তার রহমতের বারি দ্বারা তার বান্দাদেরকে সিঞ্চিত করেন।
৪- আল্লাহর নাম সমূহের কিছু আছে এমন যে, সেগুলোকে আমরা কেবল আল্লাহর জন্যই সাব্যস্ত করবো, সেগুলো হলো ঐসব নাম, যা তিনি শুধুমাত্র নিজের জন্য নির্ধারন করেছেন এবং তার মধ্যে অন্য কাউকে অংশীদার করেননি। আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত অন্য কারও বেলায় তা প্রয়োগ করাও জায়েয হবে না। যেমন আল্লাহ আর-রহমান আর তাঁর কিছু নাম আছে যা অন্যদের জন্য ব্যবহার করা যায়। যদিও আল্লাহর নাম ও গুণাবলীসমূহ পরিপূর্ণ ও পূর্ণতর। অন্যদের বেলায় ব্যবহার হলে সে অর্থ কোনভাবেই প্রকাশ করবে না।
৫- আল্লাহর নামসমূহই তাঁর গুণাবলীর উৎস। সুতরাং প্রত্যেক নাম সিফাতকে সাব্যস্ত করে। তবে সিফাত থেকে কোন নাম উৎসারিত হয় না। যেমন আমরা বলে থাকি আল্লাহ তা'আলা ক্রোধান্বিত হন। এই গুনটি থেকে কোন নাম আমরা সৃষ্টি ও আবিস্কার করে বলি না যে তিনি 'গাজুব' বা মহাক্রোধের অধিকারী।


মঙ্গলবার, ২৫ এপ্রিল, ২০১৭

এমন একটি কাজ যা গুনাহ ও পাপ মিটিয়ে দেয়

নবী কারীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  বলেছেন, যে অজু করে এবং সুন্দরভাবে অজু করে তার শরীর থেকে পাপসমূহ বের হয়ে যায়। এমনকি নখের নীচ থেকেও বের হয়ে যায়।(বর্ণনায় মুসলিম।)
আলোকচিত্রে অজু: https://bn.islamkingdom.com/ব্যবহারশাস্ত্র/আলোকচিত্রে-ইবাদত/পবিত্রতা/অজু-করা

সোমবার, ২৪ এপ্রিল, ২০১৭

প্রতিবেশীর অধিকার

নিজ বাড়ির আশে পাশে বসবাসকারীকে শুধু প্রতিবেশী বলা হয় নাকি প্রতিবেশীর অর্থ আরও ব্যাপক? অমুসলিম বা পাপীরা কি হাদীসে উল্লেখিত প্রতিবেশী্র মধ্যে শামিল হবে? এইসব প্রশ্নের উত্তর পেতে এবং প্রতিবেশীর অধিকার সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য ভিজিট করুন: https://bn.islamkingdom.com/ইসলামী-পাঠ/সামাজ-সংসার/প্রতিবেশীর-অধিকার

বৃহস্পতিবার, ২০ এপ্রিল, ২০১৭

নিজ হাতে উপার্জিত খাদ্য সর্বোত্তম খাদ্য

রিযক অন্বেষণ করা, জীবনধারণের উপকরণ সন্ধান করা, ইসলামী শরীয়তের একটি স্পষ্ট নির্দেশ। মানবাত্মাও প্রকৃতিগতভাবে রিযক অন্বেষণের পেছনে ছুটে চলে। আর আল্লাহ তাআলা দিনকে করেছেন জীবিকা অর্জনের সময়কাল। তিনি মানুষকে নির্দেশ দিয়েছেন ভূপৃষ্ঠে বিচরণ করতে এবং তাঁর দেয়া রিযক ভোগ করতে। শুধু তাই নয়, বরং যারা পৃথিবীর বুকে আল্লাহর দেয়া রিযকের সন্ধানে বিচরণ করে তাদেরকে তিনি বিজাতীয় শত্রুদের বিরুদ্ধে পবিত্র যুদ্ধে নিয়োজিত মুজাহিদদের সাথে যুক্ত করে একই আয়াতে উল্লেখ করেছেন।
শরীয়তের দৃষ্টিতে রিযক অন্বেষণে শ্রম ব্যয়ের গুরুত্ব এখান থেকেও বুঝা যায় যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ হাতে উপার্জিত খাদ্যকে সর্বোত্তম খাদ্য বলে আখ্যায়িত করেছেন। সহীহ বুখারীর একটি হাদীসে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: নিজ হাতে উপার্জিত খাদ্যের চেয়ে উত্তম খাদ্য কেউ খায়নি। আর নিশ্চয় আল্লাহর নবী দাউদ আ. নিজ হাতের উপার্জন থেকেই খেতেন (বুখারী)
হালাল রিযক উপার্জন করে মানুষের দ্বারস্থ হওয়া থেকে বেঁচে থাকাই বিশাল সম্মান ও মর্যাদার বিষয়। এমনকী উমর ইবনুল খাত্তাব রাযি. বলেন: আমার মৃত্যু এমন জায়গায় আসার চেয়ে অধিক প্রিয় জায়গা আর নেই যেখানে আমি আমার পরিবারের জন্য বাজার করা তথা কেনা- বেচায় রত থাকব।
লুকমান হাকীমের একটি প্রজ্ঞাময় উপদেশ এ রকম, হে বৎস, তুমি হালাল রিযক উপার্জন করে দারিদ্র্য থেকে ধনাঢ্যতা অর্জন করো। কেননা কোনো ব্যক্তির দরিদ্র হওয়ার অর্থই হল তিনটি বদগুণে জড়িয়ে যাওয়া- এক. দীন পালনে ক্ষীণতা। দুই. আকল-বুদ্ধির দুর্বলতা। তিন. পৌরুষত্বের বিদায়।
নিশ্চয় পবিত্র উপার্জন ও নির্ভেজাল সম্পদ আহরণে নিহিত রয়েছে দীনদারী মানসম্মানের সুরক্ষা, মন ও হৃদয়ের প্রফুল্লতা, চেহারার বিমর্ষহীনতা ও ইজ্জতের মাকাম অর্জনে ধন্য হওয়া।

তবে যে বিষয়টি আমাদেরকে অধিক গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে তা হলো, আমরা যা উপার্জন করছি পবিত্র কি না, হালাল কি না। কেননা আল্লাহ তাআলা যা পবিত্র ও হালাল কেবল তাই ভক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। আর যা অপবিত্র ও হারাম তা থেকে আমাদেরকে বিরত থাকতে বলেছেন। প্রবন্ধটি বিস্তারিত পড়ুন: bn.islamkingdom.com/s2/46643


বুধবার, ১৯ এপ্রিল, ২০১৭

প্রশ্নোত্তরে জানাযার কিছু মাসায়েল ও বিধান

প্রশ্ন-১. তালকিন কি ও তার নিয়ম কি?
উত্তর: মুমূর্ষূ ব্যক্তিকে কালিমা স্মরণ করিয়ে দেয়া এবং তাকে কালিমা পাঠ করার দীক্ষা দানকে আরবিতে তালকিন বলা হয়। যখন কারো উপর মৃত্যুর আলামত জাহির হয়, তখন উপস্থিত ব্যক্তিদের উচিত তাকে لا إله إلا الله বলার জন্য উদ্বুদ্ধ করা এবং আল্লাহকে স্মরণ করতে বলা। উপস্থিত লোকদের সাথে এ কালিমা একবার পাঠ করাই তার জন্য যথেষ্ট, তবে পীড়াপীড়ি করে তাকে বিরক্ত করা নিষেধ।
 প্রশ্ন-২. মুমূর্ষু ব্যক্তিকে কিবলামুখী করার বিধান কি?
উত্তর: আলেমগণ মুমূর্ষু ব্যক্তিকে কেবলামুখী করা মুস্তাহাব বলেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বায়তুল্লাহু তোমাদের জীবিত ও মৃত উভয় অবস্থায় কিবলাইমাম আবু দাউদ ওসিয়ত অধ্যায়ে বর্ণনা করেন, বায়তুল হারাম তোমাদের জীবিত ও মৃত উভয় অবস্থায় কিবলা। 
 প্রশ্ন-৩. দাফনের পর তালকিন করার বিধান কি ?
উত্তর: দাফনের পর তালকিন প্রসঙ্গে শরিআতে কোন প্রমাণ নেই, তাই এটা বিদাত। দাফনের পর তালকিন প্রসঙ্গে বর্ণিত হাদিসগুলো জাল ও আমলের অযোগ্য, তাই তালকিন শুধু মুমূর্ষাবস্থায় করা, মৃত্যুর পর নয়।
প্রশ্নোত্তরে জানাযার মাসায়েলগুলো বিস্তারিত পড়ার জন্য:   ••► bn.islamkingdom.com/s2/122473




বুধবার, ১২ এপ্রিল, ২০১৭

ইসলাম ও তরবারি

মুসলিম বন্ধু রাশেদের প্রতি ছুঁড়ে দেওয়া মাইকেলের প্রশ্ন: ইসলাম তরবারির মাধ্যমে ছড়িয়েছে। জনাব রাশেদ আপনি কি এটা অস্বীকার করবেন?
কিন্তু জনাব রাশেদ যে জ্ঞানের ভাণ্ডার! শুনুন রাশেদের সেই দাঁতভাঙ্গা জবাব: https://bn.islamkingdom.com/ইসলাম-সম্পর্কে-জানুন/শান্তির-সংলাপ/ইসলাম-ও-সন্ত্রাসঃ



মঙ্গলবার, ১১ এপ্রিল, ২০১৭

মানুষের ভালোবাসা প্রাপ্তি ও অন্তর জয়ের মাধ্যম

আল্লাহর খাতিরে, পরকালীন কল্যাণের আশায় মানুষের হৃদয় আকৃষ্ট করার প্রতি ইসলাম খুবই গুরুত্ব দিয়েছে। প্রিয় নবী মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ছিলেন মানুষের কল্যাণ কামনায় ও তাদের হৃদয় আকৃষ্ট করায় সর্বশ্রেষ্ঠ। আত্মীয়তার বন্ধন রক্ষা করা, অসহায় মানুষের বোঝা বহন, মেহমানদারি, বিপদে-আপদে পাশে গিয়ে দাড়ানো এসব কর্ম ছিল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিত্যদিনের ঘটনা।
তিনি তাঁর সাহাবীদের মাঝে ঐক্য-ভ্রাতৃত্ব, পারস্পরিক মমত্ববোধ ও সৌহার্দ বজায় রাখার প্রতি কতটুকু আগ্রহী ছিলেন। তাই আমাদের উচিত হবে, মানুষে-মানুষে ঝগড়া-বিবাদের সকল উপল্য দূরিভূত করা। পরস্পরে বিভেদ সৃষ্টি হয় এমন যেকানো কাজ শুরুতেই থামিয়ে দেয়া। তাহলেই পরস্পরে মিল-মহব্বতের পরিবেশ কায়েম থাকবে। একে অন্যের প্রতি আকৃষ্ট হৃদয় নিয়ে মানুষ জীবনযাপন করবে।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন: হে লোকসকল! নিশ্চয় তোমাদের মধ্যে কিছু মানুষ রয়েছে, যারা মানুষকে দূরে ঠেলে দেয় (বুখারী)।
মানুষের অন্তর জয়ের কিছু পদ্ধতি:
১ হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় মানুষের সাথে কথা বলা এবং দেখা-সাক্ষাৎ করা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সদা হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় থাকতেন। হাসিমুখে মানুষের সাথে দেখা-সাক্ষাৎ করা বন্ধুত্ব সৃষ্টির একটি বিশ্বজনীন পদ্ধতি। হাদীসে এসেছে:তোমার ভাইয়ের সম্মুখে তোমার মুচকি হাসি একটি সাদকা (তিরমিযী, সহীহ)।
২.দেখা-সাক্ষাতে মুসাফাহা বা করমর্দন করা: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাহাবীদের সাথে মুসাফাহা করতেন আর সাহাবীগণও তাঁর সাথে এবং পরস্পরে মুসাফাহা করতেন। হাসান আল বাসরী রহ. বলেন, মুসাফাহা মুহব্বত বাড়িয়ে দেয়
৩. অন্যের দুঃখ-কষ্ট-অভিযোগ ধৈর্যসহ শোনা এবং ভালো পরামর্শ দেয়া: মানুষের হৃদয়ের বন্ধ দরজা উন্মুক্ত করার এটি একটি বড় মাধ্যম।
৪. মানুষের সাথে মেলা-মেশা করা।
৫. মানুষের উপকার করা। হাদীসে এসেছে : আল্লাহ তাআলা বান্দাকে ততণ পর্যন্ত সাহায্য করতে থাকেন যতণ পর্যন্ত বান্দা তার ভাইয়ের সাহায্য সহযোগিতা করতে থাকে (মুসলিম)।
মানুষের অন্তর জয়ের পথ ও পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য:  ••►

মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল, ২০১৭

জিহাদের চেয়েও পিতার-মাতার সেবার গুরুত্ব বেশি

এক ব্যক্তি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে জিহাদে যাওয়ার অনুমতি চাইলে উত্তরে তিনি বলেন, তোমার পিতা-মাতা কি জীবিত? লোকটি বলল, জ্বি। তিনি বললেন, তাহলে তাদের মাঝেই জিহাদ করো-অর্থাৎ,তাদের সেবায় শ্রম দাও (বর্ণনায় বুখারী)।
পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার এমন এক হক যা আল্লাহ তাআলা আল কুরআনের অনেক জায়গায় নিজের হকের সাথে সংযুক্ত করে উল্লেখ করেছেন। এমন হক, যা সবার জন্য অবশ্য পালনীয়, যা পালন না করলে সফলতা আসে না। আল্লাহ তাআলা বলেন : তোমরা ইবাদত কর আল্লাহর,তাঁর সাথে কোন কিছুকে শরীক করো না। আর সদ্ব্যবহার কর মাতা-পিতার সাথে। (সূরা আন-নিসা:৩৬)।
পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার ও তাদের অধিকার সংরক্ষণ করা ওয়াজিব। এমনকি যদি তারা অমুসলিম হন তবুও। তাদের মুসলিম হওয়ার সাথে সদ্ব্যবহারের প্রশ্ন জড়িত নয়। আসমা রাযি. থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: একবার আমার মা আমার কাছে বেড়াতে এলেন। তিনি ছিলেন মুশরিক। আর তখন কুরাইশদের সাথে মুসলমানদের চুক্তি ছিল। আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার মা আমার কাছে এসেছেন। তিনি আমার আতিথেয়তা পেতে আগ্রহী। তবে কি আমি তার সাথে সম্পর্ক রাখব? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তোমার মায়ের সাথে তুমি সম্পর্ক রাখবে (মুসলিম)।
মুয়াবিয়া বিন জাহিমা রাযি বলেন: এক লোক রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বলল, আমি যুদ্ধে যেতে চাই। আপনার কাছে পরামর্শের জন্য এসেছি। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, তোমার মা আছে? লোকটি বলল, জ্বি আছে। তিনি বললেন, তাহলে তাকে সঙ্গ দাও। কেননা জান্নাত তার পদতলে (নাসায়ী ও ইবনে মাজাহ)।
আব্দুল্লাহ বিন আমর রাযি. হতে অপর এক বর্ণনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন : পিতার সন্তুষ্টিতে রবের সন্তুষ্টি। আর পিতার অসন্তুষ্টিতে রবের অসন্তুষ্টি (তিরমিযী, সহীহ)।

পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার সম্পর্কে  আরও বিস্তারিত পড়ার জন্য:  ••►  bn.islamkingdom.com/s2/46646