বুধবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৮

কোরআনের বিষ্ময়কর দিক - ফেরাউনের লাশ


কোরআনে অনেক বিষয়ে অনেক আলোচনা এসেছে, যেমনঃ ঐতিহাসিক ঘটনা নিয়ে অনেক আয়াত এসেছে, যা আধুনিক বিজ্ঞান ছাড়া প্রমাণ করা যাবেনা। যেমনঃ মুছা আঃ ও ফেরাউনের ঘটনা, কোরআন ফেরাউনের ডুবে মরার কথা বলেছে এবং পরবর্তী মানুষের জন্য শিক্ষা ও উপদেশ স্বরূপ তাঁর লাশ হিফাযতের কথা বলেছে। অর্থাৎ আগত জাতি তার এ ঘটনা দেখে শিক্ষা লাভ করবে। আল্লাহ তায়ালা বলেনঃ অতএব আজকের দিনে বাঁচিয়ে দিচ্ছি আমি তোমার দেহকে যাতে তোমার পশ্চাদবর্তীদের জন্য নিদর্শন হতে পারে। আর নিঃসন্দেহে বহু লোক আমার মহাশক্তির প্রতি লক্ষ্য করে না। (সুরা ইউনুসঃ ৯২)
এখানে তিনটি ইশারা রয়েছেঃ
১. ফেরাউন ডুবে মরেছে ।
২. পানি থেকে তার লাশকে উত্তোলন করা ও সংরক্ষণ করা হয়েছে
৩. তার এ লাশকে হেফাযত করা হয়েছে মমি করে যাতে মানুষ তা দেখতে পারে।
আধুনিক বিজ্ঞান এটাই প্রমাণ করেছে। কিন্ত তার লাশের মমি ১৮৯৮ সালের আগে আবিষ্কৃত হয়নি, অর্থাৎ রাসুলের সাঃ ইন্তেকালের প্রায় ১২০০ বছর পরে। ১৯৮১ সালের আগে এ সব মমির মৃত্যুর কারণ তখনো জানা যায়নি, যে এটা পানিতে ডুবে মারা গেছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি, পরীক্ষা নীরিক্ষার দ্বারা একদল বিজ্ঞানী তাদের মধ্যে অন্যতম ফ্রান্সের মরিচ বুকাইলী (Maurice Bucaille) এটাকে প্রমাণ করেছেন। তিনি একথা আগে জানতেন না যে কোরআনে এ ব্যাপারে কিছু বলা হয়েছে , ফলে তিনি ইসলাম গ্রহণ করেন। অতঃপর (আল কোরআন, তাওরাত, ইঞ্জিল ও বিজ্ঞান.. আধুনিক জ্ঞানের আলোকে পবিত্র ধর্মগন্থের মাঝে পর্যালোচনা) নামে বই লিখেন।
এটা কোরআন যে আল্লাহর পক্ষ থেকে নাযিলকৃত ওহী এর প্রমাণ, আর ইসলাম যে আসমানী ধর্ম এরই প্রমাণ।
কোরআনের কিছু বৈজ্ঞানিক বিষ্ময়কর দিক: https://goo.gl/oskuoe



সোমবার, ১৯ মার্চ, ২০১৮

মানব ইতিহাসের চিরস্থায়ী মহানজন


ডক্টর মাইকেল হার্ট, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও গাণিতবিদ, তিনি মার্কিন মহাকাশ সংস্থা নাসায় কাজ করতেন। ঐতিহাসিক গবেষণা এ বিজ্ঞানীর মজার শখ ছিল। তিনি লক্ষ্য করলেন যে, কোটি কোটি মানুষের মাঝে বিশ্বকোষ মাত্র বিশ হাজার মানুষ ছাড়া অন্য কাউকে উল্লেখ করেনি, তখন তিনি তাদের মধ্য হতে মহামানবদেরকে বাছাই করার জন্য কিছু মূলনীতি ঠিক করলেন। এর গুরুত্বপূর্ন মূলনীতিগুলো হলোঃ ব্যক্তির বাস্তবিকতা থাকা অর্থাৎ , কাল্পনিক বা অপরিচিত না হওয়া এবং খুব প্রভাব বিস্তারকারী হওয়া, চাই সেটা ভাল কাজে হোক বা খারাপ কাজে হোক। এ প্রভাব বিশ্বব্যাপী হতে হবে, এবং মানব ইতিহাসের সাথে বিস্তৃত হতে হবে।
এ লেখকের মতে কে সবচেয়ে বেশি মহান ব্যক্তিত্বের অধিকারী? !
এ লেখক ইসলামের নবী মুহাম্মদ সাঃ কে একশত মহান ব্যক্তির মধ্যে প্রথমে রেখেছেন। তার এ নির্বাচনের অনেকগুলো কারণ ছিল, লেখক বলেনঃ
আমি মুহাম্মদ সাঃ কে এ তালিকার সবার উপরে রেখেছি, এতে হয়ত অনেকেই আশ্চর্যবোধ করবে, তারা আশ্চর্য হতেই পারেন, তবে মুহাম্মদ সাঃ ইতিহাসে একমাত্র ব্যক্তি যিনি দ্বীন ও দুনিয়া উভয় ক্ষেত্রে পূর্ণ সফলতা অর্জন করেছেন। তিনি অন্যান্য মহান ধর্মের প্রবর্তকের মত ইসলামের দিকে লোকদেরকে ডেকেছেন, তিনি রাজনৈতিক, সামরিক ও ধর্মীয় একচ্ছত্র নেতা ছিলেন। তাঁর মৃত্যুর তেরশত বছর পরও তাঁর প্রভাব এখনো শক্তিশালী ও নবজীবনপ্রাপ্ত।"
এরপর তিনি বলেছেনঃ " ......এটা অদ্ভুত মনে হতে পারে যে, মুহাম্মদ এ তালিকায় সবার উপরে, অথচ খৃষ্টানদের সংখ্যা মুসলমানদের চেয়ে দ্বিগুণ, এটা হয়ত অদ্ভুত মনে হতে পারে যে তিনি তালিকায় সবার উপরে অথচ ঈসা আঃ তালিকায় তিন নম্বরে, আর মুসা আঃ ষোল নম্বরে।
 তবে এর অনেকগুলো কারণ রয়েছেঃ এর অন্যতম হলোঃ ইসলামের প্রচার কাজ, ইহা প্রতিষ্ঠা ও এর শরিয়তের বিধিবিধানগুলো সুপ্রতিষ্ঠিত করতে রাসুল মুহাম্মদ সাঃ এর ভূমিকা ঈসা আঃ এর তুলনায় অনেক বেশী ভয়ানক, কষ্টকর, ও মহান ছিল। তাছাড়া ঈসা আঃ খৃস্টানদের জন্য শুধু চারিত্রিক কিছু মূলনীতি নিয়ে এসেছেন, আর সেন্ট পল ঈসাই ধর্মের মূলনীতি প্রতিষ্ঠিত করেছেন। তিনি (সেন্ট পল) নিউ টেস্টামেন্টে যা কিছু আছে তা লিখার দায়িত্বশীল ছিলেন।
অন্যদিকে মুহাম্মদ সাঃ নিজেই ইসলামের নীতিমালা, শরিয়তের মূলনীতিসমূহ, সামাজিক ও চারিত্রিক মূলনীতি, মানুষের দ্বীন ও দুনিয়ার চলার জন্য সব ধরণের লেনদেনের মূলনীতি ইত্যাদি সব কিছুর ব্যাপারে একমাত্র দায়িত্বশীল ছিলেন। কোরআন একমাত্র তাঁর উপরই নাযিল হয়েছে, কোরআনে মুসলমানেরা দ্বীন-দুনিয়ার প্রয়োজনীয় সব কিছুই পেয়ে থাকে।"
তাঁর কথাগুলো সন্তোষজনক ও নিরপেক্ষ ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত।
মহামানবদের সর্বশ্রেষ্ঠজন আরও বিস্তারিত পড়ুনঃ https://goo.gl/gy2cMF