নামাযের সময় জানার জন্য আমরা
সফটওয়্যার অথবা অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করি, সফটওয়্যার অথবা অ্যাপ্লিকেশন ছাড়া
ওয়েব-এর মাধ্যমে নামাযের সময় জানার জন্য এই সাইটটি বুকমার্ক করে রাখুন, এটা পরবর্তী সালাতের কত ঘন্টা কত মিনিট এবং কত সেকেন্ড বাকী
আছে তা অবহিত করবে। ••► bn.islamkingdom.com/s1/9791
বৃহস্পতিবার, ২৯ ডিসেম্বর, ২০১৬
মঙ্গলবার, ২৭ ডিসেম্বর, ২০১৬
তায়াম্মুম
পানির অনুপস্থিতে অথবা পানি
ব্যবহার করা অসম্ভব হলে যেসব বিষয়ের জন্য পবিত্রতা ফরজ সেসবের জন্য তায়াম্মুম করা ফরজ।
আর যেসবের জন্য পবিত্রতা মুস্তাহাব সেসবের জন্য তায়াম্মুম করা মুস্তাহাব। তায়াম্মুম কখন করতে পারবে এবং এর সটিক পদ্ধতি
অনেকেই জানেনা, সচিত্র এবং ভিডিওসহ তায়াম্মুম এর মাসায়েল ও পদ্ধতি জেনে নিন।
শনিবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০১৬
তারিখ কনভার্টার
কোনো কোনো সময় জন্মদিনঅথবা কোনো ঘটনার হিজরি তারিখ প্রয়োজন হয়, হঠাৎ করে হিজরি তারিখ বের করতে হিমশিম খেতে হয়, তাই এই সাইটটি বুকমার্ক করে রাখুন, প্রয়োজনের সময় কাজে আসবে। ••►
bn.islamkingdom.com/s1/9792
বুধবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৬
উত্তম চরিত্রই মানব সন্তানের একমাত্র সুখ-শান্তির পথ
উত্তম চরিত্র
হলো- ভালবাসা, উদারতা, সম্মানবোধ, ক্ষমাশীলতা, লজ্জাশীলতা, শান্ততা, নম্রতা, অন্যকে অগ্রাধিকার, ন্যায় বিচার, সততা, বন্ধুত্ব, সকলের সাথে পরামর্শ
করা ইত্যাদি। ব্যক্তির আখলাক যদি সুন্দর হয় তবে তার জীবন ও সমাজের সুখ-শান্তিতে এর
ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। আর যদি ব্যক্তির চরিত্র খারাপ হয় তবে সে নিজেও দুঃখী হয় এবং সমাজের
সকলকে দুঃখী ও দুর্ভাগা করে।
এজন্যই ইসলাম
তার অনুসারীদের অন্তরে উত্তম চরিত্র ও সৎগুনাবলী স্থাপন করতে খুব গুরুত্ব দিয়েছে। তাদেরকে
এসব গুনাবলী আঁকড়িয়ে ধরে রাখতে উৎসাহিত করেছে। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
ইহাকে তাঁর নবুয়াতের প্রধান লক্ষ্য নির্ধারণ করেছেন। তিনি বলেছেনঃ “আমি উত্তম চরিত্রকে পূর্ণ করতে প্রেরিত হয়েছি”। (বায়হাকী শরীফ)। মানুষ যে সর্ববৃহৎ সভ্যতা (ইসলাম) সম্পর্কে
অবগত হয়েছে সে সভ্যতাকে যুগে যুগে শক্তিশালী ও মজবুত করতে ইসলামের মিশনই যেন ছিল উত্তম
চরিত্র গঠন। ইসলামের নবী এ রিসালাতের আলো পৌঁছাতে ও মানুষকে এ সভ্যতার উপর ঐক্যবদ্ধ
করতে অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। মানুষকে সুন্দর আখলাক, উত্তম আদর্শের মাধ্যমে পবিত্রকরণ ও তাদের চোখের সম্মুখে পূর্ণতার
আলো উদ্ভাসিত করতে তিনি সবচেয়ে বেশি জোর দিয়েছেন।
রাসুল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদেরকে উত্তম চরিত্রের শিক্ষা দিয়েছেন, ইহাকে তিনি ঈমানের সাথে সম্পৃক্ত করেছেন। যেমন তিনি বলেছেনঃ
“যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের উপর ঈমান এনেছে, সে যেন অতিথির সম্মান করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের উপর
ঈমান এনেছে, সে যেন প্রতিবেশীর অধিকার সংরক্ষণ
করে। আর যে ব্যক্তি আল্লাহ ও পরকালের উপর ঈমান এনেছে, সে যেন উত্তম কথা বলে বা চুপ থাকে”। (মুসনাদে আহমদ)। এমনিভাবে ইসলাম মানুষের ঈমানের সত্যতা ও পরিপূর্ণতার
ব্যাপারে তাদের অন্তরে উত্তম চরিত্রের গুনাবলী অর্জনের উপর নির্ভর করেছে।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেছেনঃ “প্রত্যেক দুর্বল, নম্র,
সহজ ও মানুষের নিকটতম ব্যক্তিদের উপর জাহান্নাম হারাম করা হয়েছে”। (তিরমিজি)।
রাসুল সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর এক সাহাবীকে বলেছেনঃ “তোমার মাঝে দু’টি বৈশিষ্ট্য আছে, যা আল্লাহ তায়া’লা পছন্দ করেনঃ ধৈর্যশীলতা
ও ধীরতা”। (মুসনাদে আহমদ)।
প্রকৃত সুখ
ও উত্তম আখলাকের মাঝে গভীর সম্পর্ক বিদ্যমান। উত্তম চরিত্রই মানব সন্তানের একমাত্র
সুখ-শান্তির পথ। উত্তম আখলাক ছাড়া শান্তি আসতে পারে না। আখলাক ব্যতীত মানুষ জীবনে হতাশা, দুঃখ, দুর্দশা, বিষণ্ণতা ও কষ্ট ছাড়া কিছুই লাভ করতে পারে না।
“উত্তম চরিত্রই মানব সন্তানের একমাত্র সুখ-শান্তিরপথ” এই বিষয়ে আরও বিস্তারিত পড়ার জন্য এই লিঙ্কে ক্লিক করুন: ••► bn.islamkingdom.com/s2/47483
রবিবার, ১৮ ডিসেম্বর, ২০১৬
“আল-হা'ক্ব”
“আল-হা'ক্ব” বা “আল-হক” আল্লাহর নামসমূহের একটি, ইহার অর্থ হলঃ আল্লাহ সত্য। তাঁর কথা সত্য, তাঁর কর্ম সত্য, তাঁর সাথে সাক্ষাৎ হবে- সত্য, তাঁর রাসূলগণ সত্য, তাঁর কিতাবসমূহ সত্য, তাঁর দ্বীনই প্রকৃত দ্বীন, একমাত্র তিনিই ইবাদতের হকদার, তাঁর ইবাদতে কোন অংশিদার নেই-এটা
সত্য। প্রত্যেক বস্তু তাঁর কাছেই প্রত্যাবর্তন করবে, এটাই চূড়ান্ত সত্য।
শনিবার, ১৭ ডিসেম্বর, ২০১৬
বিপদে ধৈর্যধারণ: দশটি উপদেশ
“বিপদে ধৈর্যধারণ:
দশটি উপদেশ” বইটি ডাউনলোড করতে অথবা অনলাইনে পড়তে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন: ••► bn.islamkingdom.com/s2/46847
মঙ্গলবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৬
সোমবার, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৬
গুনাহ
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেন: ‘ মুমিন বান্দা যখন কোনো গুনাহ করে, তখন তার অন্তরে একটি কালো দাগ পড়ে। আর যদি সে তাওবা করে নেয়, বিরত হয়ে যায়, আল্লাহর কাছে ক্ষমা চায় তবে তার অন্তর মসৃণ হয়ে যায়। আর যদি সে আরো করে তবে দাগ
আরো বেড়ে যায়, এটাই হলো অন্তর আচ্ছাদিত হয়ে যাওয়া
যার উল্লেখ আল্লাহ তাঁর কিতাবে করেছেন’ (ইবনে মাজাহ, হাসান)।
সোমবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০১৬
রবিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০১৬
আল হামিদ
“ আল হামিদ” আল্লাহর নামসমূহের একটি, ইহার অর্থ হলঃ আল্লাহ প্রশংসিত। আল্লাহ তাঁর সত্তা, কর্ম, কথা ও সৃষ্টিকুলের
প্রেক্ষিতে প্রশংসার্হ্য। তিনি তাঁর সত্তা, কর্ম,
বক্তব্য ও সৃষ্টিতে এমন বড়ত্ব বা গৌরবময়তার অধিকারী, যার প্রেক্ষিতে তিনি প্রশংসা পাওয়ার যোগ্য। তিনি আপন সত্তা, নামসমূহ, গুণাবলী ও কর্মযজ্ঞে
প্রশংসার উপযুক্ত।
আল হামিদ: ••► bn.islamkingdom.com/s2/48018বৃহস্পতিবার, ১ ডিসেম্বর, ২০১৬
বুধবার, ৩০ নভেম্বর, ২০১৬
হাদীসে কুদসী
“আল্লাহ তাআলা ইরশাদ
করেন: আমি আমার বান্দার ধারনার নিকটবর্তী। সে যখন আমাকে স্মরণ করে আমি তার সাথেই থাকি।
সে যদি আমাকে মনে মনে স্মরণ করে তবে আমিও তাকে মনে মনে স্মরণ করি। যদি সে আমার বিষয়ে
কোন দলের সম্মুখে আলোচনা করে তবে আমি তাদের চেয়ে উত্তম দলের সম্মুখে তার আলোচনা করি।
যদি সে এক বিঘত আমার প্রতি অগ্রসর হয় তবে আমি তার প্রতি একহাত অগ্রসর হই, যদি সে এক হাত অগ্রসর হয় তবে আমি দুই বাহু পরিমাণ অগ্রসর হই।
যদি সে আমার কাছে হেঁটে আসে তবে আমি তার প্রতি দৌড়ে অগ্রসর হই”। [সহীহ বুখারী (হাদীসে কুদসী)]
মঙ্গলবার, ২৯ নভেম্বর, ২০১৬
চরিত্র
মানুষের মাঝে
আদর্শিক অনুভূতিসমূহ স্বভাবজাত, যা ভাল গুনাবলীকে
পছন্দ করে আর খারাপ অভ্যাসসমূহকে ঘৃণা করে। এটা যদিও মানুষের মাঝে শ্রেণীভেদে তারতম্য
রয়েছে তথাপি কোন ভেদাভেদ ছাড়াই ইহা সকল মানুষের মাঝে সাধারনভাবে বিরাজমান। কিছু ভাল
গুনাবলীকে ভাল মনে করা আর কিছু খারাপ কাজকে খারাপ ভাবা সব যুগেই ছিল। যেমনঃ সত্যবাদিতা, আমানতদারীতা, ন্যায়বিচার, ওয়াদাপূরণ, অঙ্গিকার রক্ষা ইত্যাদি সব মানুষই ভাল চরিত্র মনে করেন, ইহার প্রশংসা সব যুগেই সকলে করে থাকেন, পক্ষান্তরে মিথ্যাচার, জুলুম, ধোকাবাজি ও খিয়ানতকে কোন মানুষই ভাল
মনে করেন না। এমনিভাবে সমতা, দয়া, বদান্যতা, প্রশস্ত হৃদয় ও উদারতাকেসকলেই ভাল মনে করেন।
সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০১৬
নসীহত ও আমানত
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম
বলেন :‘ সরকারপ্রধান বা আমীর তার প্রজাদের ব্যাপারে দায়িত্বশীল। সে এ
ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে। ব্যক্তি তার পরিবার-পরিজনের ব্যাপারে দায়িত্বশীল। সে তার দায়িত্ব
সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। স্ত্রী তার স্বামীর ঘরে দায়িত্বশীল। সেও তার দায়িত্ব সম্পর্কে
জিজ্ঞাসিত হবে। খাদেম তার মনিবের সম্পদে দায়িত্বশীল। সে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত
হবে। ব্যক্তি তার পিতার সম্পদে দায়িত্বশীল। সে তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে।
সুতরাং তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্বশীল এবং প্রত্যেকেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত
হবে’ (বর্ণনায় বুখারী)।
রবিবার, ২৭ নভেম্বর, ২০১৬
সবর
আল্লাহ তাআলা সবরকে বানিয়েছেন তেজদীপ্ত অশ্ব যা কখনো হোঁচট খায় না। এমন ক্ষুরধার তরবারি, যা কখনো তেজ হারায় না এমন বিজয়ী সৈনিক যা কখনো পরাজিত হয় না এমন সুরক্ষিত দূর্গ যা কখনো ধ্বংস হয় না। সবর আর বিজয় দুই সহোদর ভাই। এমন কেউ নেই, যে সবরের অস্ত্রে সজ্জিত হয়েছে অথচ তার নাসফ অথবা শয়তান তাকে পরাহত করেছে। যার সবর নেই সে শক্তিহীন, পঙ্গু।
বিস্তারিত পড়তে: bn.islamkingdom.com/s2/46666
বিস্তারিত পড়তে: bn.islamkingdom.com/s2/46666
বুধবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৬
ইসলামে জ্ঞানের গুরুত্ব
ইসলামে জ্ঞানের গুরুত্ব ও মর্যাদা শুধু কোরআন নাযিলের
শুরুতেই সীমাবদ্ধ ছিলনা, যেহেতু কোরআনের প্রথম শব্দই জ্ঞান
সম্পর্কে, আল্লাহ তায়া’লা বলেনঃ "পাঠ করুন" বরং ইহা এই
চিরস্থায়ী সংবিধানের স্থায়ী পথ ও পদ্ধতি। কোরআনের এমন কোন সূরা পাওয়া যাবেনা
যেখানে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জ্ঞান সম্পর্কে আলোচনা করা হয়নি। আল্লাহ তায়া’লা বলেনঃ বলুন, যারা জানে এবং যারা জানে না; তারা কি সমান হতে পারে? চিন্তা-ভাবনা কেবল তারাই করে, যারা বুদ্ধিমান। (সূরা যুমারঃ ৯)
সোমবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৬
সত্যের চর্চা
আল্লাহ তাআলা মুমিনদেরকে তাকওয়া ও
আল্লাহ-ভীতি ও সত্যবাদী লোকদের সংস্রব অবলম্বন করার জোর নির্দেশ দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে
:
‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং সত্যবাদীদের সাথে থাক’ (সূরা আত-তাওবা : ১১৯)। সাদেকীন অর্থ
যারা বোধ ও বিশ্বাসে সত্যবাদী, কাজে-কর্মে সত্যবাদী
এবং লেনদেন, বেচাকেনাসহ সকল ক্ষেত্রে সত্যাশ্রয়ী।
মুসলিম উম্মাহর সকল সদস্যের জন্য এটা আবশ্যক যে তারা জীবন চর্চার প্রতিটি ক্ষেত্রে
সত্যকে ফুটিয়ে তুলবে। সত্যের চর্চা ও অনুশীলকে সার্বক্ষণিক বন্ধু হিসেবে গ্রহণ করবে।
সত্যবাদিতা ধরে রাখতে গিয়ে যদি আর্থিক ক্ষতিও সহ্য করতে হয় তবু তারা সত্যকে ধরে রাখবে।
আর এভাবেই তারা সক্ষম হবে আল্লাহর পক্ষ হতে অফুরান বরকত লাভের। bn.islamkingdom.com/s2/46659
বৃহস্পতিবার, ১৭ নভেম্বর, ২০১৬
জুমআর দিন যা মুস্তাহাব
জুমআর দিন যা মুস্তাহাব
১- জুমআর দিন সূরা কাহাফ পড়া
মুস্তাহাব। হাদীসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি জুমআর দিন সূরা কাহাফ পড়ল, দুই জুমআর মধ্যবর্তী সময়টা তার জন্য নূর দ্বারা আলোকিত হলো’। (বর্ণনায়
হাকেম)
২- নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি
ওয়াসাল্লামের প্রতি বেশি বেশি দরুদ পড়া।
৩- গোসল করা ও আতর ব্যবহার
করা।
জুম’আর নামাজ সম্পর্কে
বিস্তারিত জানতেঃ
সোমবার, ৭ নভেম্বর, ২০১৬
উত্তম চরিত্র
সুখ শান্তির
পথ হলো তাই যে পথে নৈতিকতা নিশ্চিতভাবে উড়তে থাকে। সে পথে ভ্রমণকারীর মধ্যে অবশ্যই
ভালবাসা,
উদারতা, সম্মানবোধ, ক্ষমাশীলতা, লজ্জাশীলতা, শান্ততা, নম্রতা, অন্যকে অগ্রাধিকার, ন্যায় বিচার, সততা,
বন্ধুত্ব, সকলের সাথে পরামর্শ
করা ইত্যাদি উত্তম চরিত্রের গুনাবলী থাকতে হবে। ইহা আত্মার উন্নতির পথ, উত্তম চরিত্র ও পরিপূর্ণ শিষ্টাচারের প্রতি অন্তরের আকর্ষণ।
আখলাক কোন শৌখিনতা নয়, যা থেকে অমুখাপেক্ষী
থাকতে পারে। বরং ইহার স্থান সে সব মূলনীতির অগ্রভাগে, যেগুলোর উপর জীবন যাপনের ধারা নির্ভর করে। ব্যক্তির আখলাক যদি
সুন্দর হয় তবে তার জীবন ও সমাজের সুখ-শান্তিতে এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে। আর যদি ব্যক্তির
চরিত্র খারাপ হয় তবে সে নিজেও দুঃখী হবে এবং সমাজের সকলকে দুঃখী ও দুর্ভাগা করবে।
ইসলাম তার
অনুসারীদের অন্তরে উত্তম চরিত্র ও সৎগুনাবলী স্থাপন করতে খুব গুরুত্ব দিয়েছে। তাদেরকে
এসব গুনাবলী আঁকড়িয়ে ধরে রাখতে উৎসাহিত করেছে।
রবিবার, ৬ নভেম্বর, ২০১৬
মহাবিশ্ব সৃষ্টির রহস্য
মহাবিশ্ব
সৃষ্টির রহস্য
আল্লাহর সৃষ্টি নিয়ে গবেষণা আল্লাহর
প্রতি ঈমান আনয়নের সবচেয়ে উপযোগী পন্থা। এতে মানুষের মনে বিশ্বাস বৃদ্ধি পায়। স্রষ্টার
মহত্ব,
জ্ঞান-গরিমা ও হিকমত জানা যায়। আল্লাহ তায়া’লা আসমান জমিন যথার্থভাবে সৃষ্টি করেছেন, এগুলোকে অনর্থক সৃষ্টি করেননি। তিনি কোন কিছু নিরর্থক কিছু সৃষ্টি
করেন না। এ ধরায় কত যে বিচিত্র প্রাণী রয়েছে যা গণনা করে শেষ করা যাবেনা। এ সব কিছু
সৃষ্টির পিছনে কি হিকমত আছে বলে আপনি কি মনে করেন?! এ মহাবিশ্বে অনেক সুস্পষ্ট নিদর্শন রয়েছে যা আল্লাহর কুদরত ও তাঁর মহিমা প্রমাণ
করে। আধুনিক বিজ্ঞান এখনো অনেক নতুন নতুন নিদর্শন আবিষ্কার করছে যা মানুষকে মহান সুনিপুণ
প্রজ্ঞাময় স্রষ্টা আল্লাহর মহিমা বুঝিয়ে দেয়।
মানুষ যদি এ মহাবিশ্ব ও এর ভিতরে যা
কিছু আছে তা নিয়ে একটু চিন্তা করে এবং গভীরভাবে গবেষণা করে তবে সে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস
করবে যে,
এ বিশ্ব অত্যন্ত সুক্ষ্মভাবে সুবিন্যস্ত করে সৃষ্টি করা হয়েছে।
একজন প্রজ্ঞাময়, সর্বশক্তিমান ও সর্বজ্ঞানী ইলাহ তা
সৃষ্টি করেছেন, তিনি একে উত্তমরূপে সুপরিমিতভাবে বানিয়েছেন।
এ মহাবিশ্বের
আকাশ,
আকাশের তারকারাজি, গ্রহ নক্ষত্র ও ছায়াপথ আর জমিনে যা কিছু আছে ও যে সব নদ নদী, খাল বিল, পাহাড় পর্বত, পশুপাখি , গাছপালা ইত্যাদি
যা কিছু মহান আল্লাহ তায়া’লা অস্তিত্বহীন থেকে
সৃষ্টি করেছেন, এসব নিয়ে চিন্তা করলেই আমরা আল্লাহরকুদরত,
জ্ঞান, প্রজ্ঞা বুঝতে সক্ষম
হই।
সোমবার, ৩১ অক্টোবর, ২০১৬
প্রবাদবাক্য
#ইসলাম_কিংডম
#বাণী_চিরন্তনী
জ্ঞানগর্ব উপদেশ, সারগর্ভ উক্তি, প্রবাদবাক্য, বিখ্যাত মণীষীদেরবাণী জানার জন্য:
bn.islamkingdom.com/s1/5340
এতে সদস্যতা:
মন্তব্যসমূহ (Atom)
















