বৃহস্পতিবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

আল- ফাত্তাহ, আল্লাহর নামসমূহের একটি

আল- ফাত্তাহ, আল্লাহর নামসমূহের একটি, ইহার অর্থ হলঃ উন্মুক্তকারী। আল্লাহ উন্মুক্তকারী, তিনি আমাদের জন্য নিজ রহমত উন্মুক্ত করে দেন। আল্লাহ তা'আলা বলেন: আল্লাহ মানুষের জন্য অনুগ্রহের মধ্য থেকে যা খুলে দেন, তা ফেরাবার কেউ নেই। সূরা: ফাতির, আয়াত: ২।
তিনি উদারতভাবে রহমতের দরজাসমূহ উন্মুক্ত করেন এবং নেয়ামতের অজস্র ধারা বইয়ে দেন। জ্ঞান ও প্রজ্ঞার আলোসমূহ মানুষের জন্য উন্মোচন করেন এবং এর দ্বারা অন্তরসমূহ অলঙ্কৃত করেন। হৃদয়সমূহের সামনে ঈমানের দ্বার খুলে দিয়ে তাদেরকে পথের দিশা দেন।
আল্লাহ -যিনি বান্দাদের পেরেশানী দূর করেন। সকল চিন্তা বিদূরিত করেন। বিপদ ও সঙ্কট মুক্ত করে দেন।
যিনি নিজ শরীয়তের বিধিবিধান, আপন তাকদীর এবং প্রতিদান এর বিধানাবলী দ্বারা বান্দাদের মাঝে ফয়সালা করবেন। যিনি নিজ দয়ায় সত্যবাদীদের দৃষ্টি খুলে দেন। যেন তারা তাকে চিনে ভালবাসে ও তাঁর দিকে অনুতপ্ত মনে ধাবিত হয়। বান্দাদের জন্য আপন রহমত ও বৈচিত্রময় রিযিকের দ্বারসমূহ অবারিত করেন।
আল্লাহ তা'আলার পবিত্র নামসমূহ এবং ইহার অর্থসহ বিস্তারিত জানার জন্য এই লিংকে ক্লিক করুন।



মঙ্গলবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০১৬


আত্মীয়তা-সম্পর্ক ঠিক রাখার গুরুত্ব

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
সে আত্মীয়তা-সম্পর্ক রক্ষাকারী নয়, যে সম্পর্ক রক্ষার বিনিময়ে সম্পর্ক রক্ষা করে। বরং প্রকৃত আত্মীয়তা-সম্পর্ক রক্ষাকারী সেই, যার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করলে সে তা জোড়া দেয় (বর্ণনায় বুখারী)
আত্মীয়তা-সম্পর্ক ঠিক রাখার গুরুত্ব এবং ইসলাম কিভাবে এই সম্পর্ক জোরদার করার জন্য উৎসাহ দান করেছে এই বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি আলোচনা:

রবিবার, ১১ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

বান্দার জীবনে হজ্জের প্রভাব

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন- নিশ্চয় কা'বার তাওয়াফ করা, সাফা-মারওয়ার মাঝে দৌড়ানো, এবং পাথর নিক্ষেপ করা ইত্যাদি কার্যাবলীকে শুধুমাত্র আল্লাহর স্মরণ সমুন্নত করার জন্যই পালন করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। আহমাদ।
১-হজ্জ পাপ এবং ভুল-ত্রুটি মার্জনা করার কারণ। এক্ষেত্রে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ভাষ্য হলো:
তুমি কি জান না যে, নিশ্চয় ইসলাম মানুষের ইসলাম গ্রহণের পূর্বে করা পাপ সমূহকে নি:শেষ করে দেয়, হিজরতও মানুষের হিজরতের পূর্বে করা গুনাহ সমূহকে নি:শেষ করে দেয় এবং হজ্জ   ঐ সমস্ত পাপরাশীকে নিশ্চিন্হ করে দেয় যা হজের পূর্বে করা হয়েছিল।
-মুসলিম।
২-হজ্জ হল আল্লাহর আদেশ পালন করা। কেননা হজ্জ আদায়কারী ব্যক্তি তার পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়, প্রিয়জনকে ছেড়ে দূরে চলে যায় এবং নিজের সাধারণ পোশাকও পরিহার করে। সর্বোপরি আল্লাহর আদেশ পালনার্থে তাঁর একত্ববাদের ঘোষণা করতে থাকে। যা তার উপর অর্পিত নির্দেশাবলীর অন্যতম।
৩- হজ্জ হলো জান্নাতে প্রবেশ এবং আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের অন্যতম কারণ। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
মাকবুল হজের প্রতিদান একমাত্র জান্নাত।
-বুখারী ও মুসলিম।
৪-হজ্জ মানুষের মাঝে ন্যায় ও সমতা প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে একটি প্রকাশ্য অনুশীলন। যখন মানুষ আরাফাতের ময়দানে একত্রে অবস্থান গ্রহণ করে, তখনই মূলত: এর বাস্তবায়ন হয়ে থাকে। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা মানুষগুলোর মাঝে সেখানে কোন ভেদাভেদ থাকে না। পার্থক্য থাকে শুধু তাকওয়া ও তাওহীদের প্রশ্নে।
৫-হজ্জের মধ্যে বিশ্ব মুসলিমের মাঝে পারস্পরিক পরিচিতি ও সহযোগিতার সূত্রপাত হয়। হজ্জের মাধ্যমে বিভিন্ন জাতিগোষ্ঠির মাঝে মতবিনিময়েরও সুযোগ সৃষ্টি হয়। যা উম্মতের উন্নয়ন ও বিশ্ব নেতৃত্বের উপযোগীতা সৃষ্টি করে।
৬-হজ্জ একত্ববাদ এবং ইখলাসের দিকে আহ্বান করে। যার ফলে হজ্জকারী তার পূর্ণ জীবনটাই ইখলাস এবং তাওহীদের উপর অতিবাহিত করতে পারে। হজ্জ পালন শেষে হজ্জ পালনকারীর মন ও মস্তিষ্কে কেবল আল্লহর প্রতি বিশ্বাসই স্থির হয়ে যায়। এরপর সে জীবনভর কেবল আল্লাহর একত্ববাদেই বিশ্বাস করে এবং আল্লাহর কাছেই দুআ ও প্রার্থনা করে।



মঙ্গলবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

হজ্বের ওয়াজিবসমূহ

হজ্বের ওয়াজিবসমূহ:
1.    মিকাত থেকে ইহরাম করা।
2.   যে ব্যক্তি দিনের বেলায় উকুফে আরাফা করবে তার জন্য সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফায় অবস্থান করা।
3.   মুযদালিফায় রাতযাপন।
4.   আইয়ামে তাশরীকে মিনার রাতগুলো মিনায় যাপন করা।
5.   কঙ্কর মারা।
6.   মাথা মুণ্ডন ও চুল ছোট করা।
7.   বিদায়ী তাওয়াফ।
হজ্বের ওয়াজিবসমূহ সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য: 
••► https://youtu.be/4K4ltQ9jBwA


রবিবার, ৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৬

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম- এর কবর যিয়ারত-বিষয়ক ভুলত্রুটি ও কিছু সতর্কতা

১ - কবর যিয়ারত ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনসমূহ দেখার জন্য মদীনায় সফর করা। বরং শরীয়তসিদ্ধ হলো মসজিদে নববী যিয়ারত ও তাতে নামাজ আদায় করার উদ্দেশ্যে সফর করা। আর মসজিদে নববীতে গমন করলে কবর যিয়ারত স্বতঃস্ফূর্তভাবেই হয়ে যায়।
২ - দুআ করার সময় কবরমুখি হয়ে দুআ করা।
৩ - রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে কোনো কিছু চাওয়া। আল্লাহ ব্যতীত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে কোনো প্রয়োজন পূরণের জন্য প্রার্থনা করা।  এরূপ করা নিঃসন্দেহে বড় শিরক।
৪ - কবরের কাছে আওয়াজ উঁচু করা। দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকা। যতবার মসজিদে প্রবেশ করবে ততবার দূর থেকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রতি সালাম দেয়া। সালাম পেশ করার পর নামাজে দাঁড়ানোর ন্যায় ডান হাত বাম হাতের ওপর রাখা কিছুতেই উচিত নয়।
বিস্তারিত পড়ার জন্য: