আল্লাহর নাম ও গুণাবলী অনুধাবনের ক্ষেত্রে
কিছু জ্ঞাতব্য ও লক্ষণীয় বিষয়
১- নিশ্চয় আল্লাহর সমস্ত নামই অতীব
সুন্দর। আল্লাহ তা'আলা বলেন: {আর আল্লাহর জন্য রয়েছে সব উত্তম নাম।} [সূরা: আরাফ, আয়াত: ১৮০।]
২- আল্লাহর গুণাবলী ও নামসমূহের অনেক বাস্তবিক অর্থ রয়েছে, রূপক অর্থ নয়। আর সেসব গুনবাচক নাম আল্লাহর সত্তা ও তাঁর সত্তার
মধ্যে থাকা অনাদী গুনাবলীকে প্রমাণ করে। যেমন: “আল-কাদির” “আল-আলিম”“আল-হাকীম” “আল-সামি” “আল-বাছির”। নিশ্চয় এসব মহিমান্বিত
নামসমূহ আল্লাহ তা'আলার পবিত্র সত্তার
জন্য উপরোক্ত গুন-বৈশিষ্ট্যকে প্রমাণ করে।
৩- আল্লাহর নামসমূহের প্রতি বিশ্বাস
স্থাপন করা: আল্লাহর গুনবাচক নামের প্রতি বিশ্বাস যেমন জরুরী, তাঁর নামের সূত্রমূলকে বিশ্বাস করাও তেমনই জরুরী। যেমন আল্লাহর
নাম 'রহীম' প্রমাণ করে যে,
নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলার মধ্যে 'রহমত' গুণ রয়েছে। অতএব তিনি তার রহমতের বারি দ্বারা
তার বান্দাদেরকে সিঞ্চিত করেন।
৪- আল্লাহর নাম সমূহের কিছু আছে
এমন যে, সেগুলোকে আমরা কেবল আল্লাহর জন্যই সাব্যস্ত
করবো, সেগুলো হলো ঐসব নাম, যা তিনি
শুধুমাত্র নিজের জন্য নির্ধারন করেছেন এবং তার মধ্যে অন্য কাউকে অংশীদার করেননি। আল্লাহ
তা'আলা ব্যতীত অন্য কারও বেলায় তা প্রয়োগ করাও জায়েয হবে না।
যেমন “আল্লাহ” “আর-রহমান” আর তাঁর
কিছু নাম আছে যা অন্যদের জন্য ব্যবহার করা যায়। যদিও আল্লাহর নাম ও গুণাবলীসমূহ পরিপূর্ণ
ও পূর্ণতর। অন্যদের বেলায় ব্যবহার হলে সে অর্থ কোনভাবেই প্রকাশ করবে না।
৫- আল্লাহর নামসমূহই তাঁর গুণাবলীর
উৎস। সুতরাং প্রত্যেক নাম সিফাতকে সাব্যস্ত করে। তবে সিফাত থেকে কোন নাম উৎসারিত হয়
না। যেমন আমরা বলে থাকি আল্লাহ তা'আলা ক্রোধান্বিত হন। এই গুনটি থেকে কোন নাম আমরা সৃষ্টি ও আবিস্কার করে
বলি না যে তিনি 'গাজুব' বা মহাক্রোধের
অধিকারী।
‘আল্লাহর নাম ও গুণাবলী অনুধাবনের ক্ষেত্রে কিছু জ্ঞাতব্যও লক্ষণীয় বিষয়’ প্রবন্ধটি বিস্তারিত
পড়ুন: bn.islamkingdom.com/s2/47978

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন