আভিধানিক অর্থে যাকাত: বৃদ্ধি পাওয়া, বর্ধিত হওয়া।
শরয়ী পরিভাষায় যাকাত: নির্দিষ্ট পরিমান সম্পদ যা
সুনির্দিষ্ট সময় বিশেষ মানবগোষ্ঠিকে প্রদান করা হয়।
যাকাত ইসলামের ফরজকর্মসমূহের একটি এবং ইসলামের
তৃতীয় রুকন। আল্লাহ তাআলা বলেন: (তোমরা নামাজ প্রতিষ্ঠা করো ও যাকাত প্রদান করো।)
[ সূরা আন-নূর:৫৬]।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,‘ইসলাম পাঁচটি বিষয়ের ওপর নির্মিত: এ সাক্ষ্য দেয়া যে আল্লাহ
ব্যতীত কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর বান্দা
ও রাসূল। নামাজ প্রতিষ্ঠা করা। যাকাত প্রদান করা। বায়তুল্লাহর হজ্ব করা ও রমজানের রোজা
রাখা।’(বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম)
যাকাতের গুরুত্ব ইসলামে অপরিসীম। যাকাতকে ইসলামের
পঞ্চমূলে অন্তর্ভুক্ত করা যাকাতের গুরুত্ব ও মর্যাদার সুস্পষ্ট প্রমান। যাকাতের উপকারিতা
সমূহে চিন্তাভাবনা করলে যেকোন বিবেকবানই এই বিধানটির গুরুত্ব ও তাৎপর্য অনুধাবন করতে
পারবে। যাকাত হলো আত্মা, সম্পদ ও সমাজকে বিশুদ্ধকারী
ও সম্পদ বৃদ্ধিকারী।
যাকাত আল্লাহর রহমত লাভের কারণ। আল্লাহ তাআলা বলেন:
(আর আমার রহমত সব বস্তুকে পরিব্যাপ্ত করেছে। সুতরাং আমি তা লিখে
দেব তাদের জন্য যারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং যাকাত প্রদান করে। )
[সূরা আল আরাফ:১৫৬]
যাকাত প্রদান আল্লাহর সাহায্য লাভের শর্ত। আল্লাহ
তাআলা বলেন: (আর আল্লাহ অবশ্যই তাকে সাহায্য করেন, যে তাকে সাহায্য করে। নিশ্চয় আল্লাহ শক্তিমান, পরাক্রমশালী। তারা এমন যাদেরকে আমি জমিনে ক্ষমতা দান করলে তারা সালাত কায়েম করবে
এবং যাকাত দেবে...।) [সূরা আল হাজ্জ:
৪০-৪১]।
যাকাত প্রদান গুনাহ মাফ হওয়ার কারণ। নবী সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ‘সদকা গুনাহকে নিভিয়ে দেয় যেভাবে পানি আগুন নেভায়।’(বর্ণনায় বুখারী)
কোন শর্ত পাওয়া গেলে আপনার উপর যাকাত ফরজ হবে এবং
যাকাত অনাদায়কারীর কি হুকুম এবং যাকাতের মাসায়েল গুলো বিস্তারিত জানুন: ••► bn.islamkingdom.com/s1/4882

কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন