হজ্বের বর্ণনা
১০ যিলহজ্ব
হাজ্বীদের করনীয়
১ - ফজরের
নামাজ পড়বে, অতঃপর যিকর ও দুআয় সূর্যোদয়ের কিছু
সময় পূর্ব পর্যন্ত মশগুল থাকবে।
২ - সূর্যোদয়ের
পূর্বেই মিনার দিকে রওয়ানা হবে।
৩ - মিনায়
পৌঁছার পর জামরায়ে আকাবা তথা বড় জামরায় যাবে। বড় জামরাকে লক্ষ্য করে সাতটি কঙ্কর মারবে।
একটির পর একটি বিরতিহীনভাবে মারবে। প্রতিটি কঙ্ককরের সাথে তাকবির দেবে|
৪ - হাদী যবেহ করবে যদি হাদী যবেহ করা আবশ্যক হয়ে থাকে।
৫ - মাথার
চুল মুণ্ডাবে অথবা ছোট করবে। এ সবের মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে নিষেধাজ্ঞামুক্ত হয়ে যাবে, অতঃপর স্বাভাবিক কাপড় পরিধান করবে, সুগন্ধি ব্যবহার করবে। এ সময় থেকে স্বামীস্ত্রীর মিলন ব্যতীত
ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ অন্যসব বিষয় হালাল হয়ে যাবে।
৬ - এরপর
মক্কায় ফিরে যাবে ও তাওয়াফে ইফাযা তথা হজ্বের ফরজ তাওয়াফ সম্পন্ন করবে। তামাত্তু হজ্বকারী
হলে সাফা-মারওয়ার সায়ীও করবে। তামাত্তু হজ্বকারী না হলেও সাফা-মারওয়ার সায়ী করবে যদি
তাওয়াফে কুদূমের সাথে সায়ী করে না থাকে। এর মাধ্যমে হাজ্বী পূর্ণাঙ্গরূপে নিষেধাজ্ঞামুক্ত
হয়ে যাবে। এখন থেকে তার জন্য ইহরাম অবস্থায় নিষিদ্ধ সকল বিষয় হালাল হয়ে যাবে।
৭ - এরপর
মিনায় ফিরে আসবে এবং সেখানে রাতযাপন করবে।
সচিত্র ও ভিডিও সহ ১০ যিলহজ্ব হাজ্বীদের
করনীয় ও হজের মাসায়েল গুলো জানার জন্য:
••► https://youtu.be/kWlptzC5Tc0
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন