রমজানের রোজা ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের
একটি এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে বান্দার ওপর ফরজ করে দেওয়া একটি ফরজ। আল্লাহ তাআলা বলেন
:(হে মুমিনগণ, তোমাদের উপর সিয়াম
ফরয করা হয়েছে, যেভাবে ফরয করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের
উপর। যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বন কর।) [সূরা আল বাকারা:১৮৩]
রোজার ফজিলত
অঢেল,
এর ছাওয়াব বহুগুণে বর্ধিত। আল্লাহ তাআলা রোজাকে তাঁর একান্ত
বিষয় বলে উল্লেখ করে এ ইবাদাতটিকে মহিমান্বিত করেছেন, এর আযমত বাড়িয়ে দিয়েছেন। আবু হুরায়রা রাযি. থেকে বর্ণিত এক হাদীসে
কুদ্সীতে এসেছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া
সাল্লাম বলেছেন, ‘ আদম সন্তানের প্রতিটি আমলের ছাওয়াবই দ্বিগুণ করে দেয়া হয়। প্রতিটি সৎকাজ দশগুণ
থেকে সাতশগুণ বাড়িয়ে দেয়া হয়। আল্লাহ তাআলা বলেন: তবে রোজা ব্যতীত; কেননা রোজা কেবল আমার এবং আমিই এর প্রতিদান দিই। রোজাদার আমার
জন্য তার লালসা ও খাদ্য পরিত্যাগ করে। রোজাদারের দুটি আনন্দ রয়েছে: একটি হলো রোজা ছাড়ার
সময়,
আর অন্যটি হলো তার রবের সাথে সাক্ষাতের সময়। আর রোজাদারের মুখের
গন্ধ আল্লাহর নিকট কস্তুরির সুগন্ধি থেকেও প্রিয়।’[বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম।]
সাওয়াব প্রাপ্তির
দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে ও আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় যে ব্যক্তি রমজান মাসে সিয়াম-কিয়াম
চর্চা করে আল্লাহ তার অতীতের সকল গুনাহ ক্ষমা করে দেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু
আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,‘যে ব্যক্তি সাওয়াব প্রাপ্তির দৃঢ় বিশ্বাস নিয়ে ও আল্লাহর সন্তুষ্টির আশায় রোজা
রাখে তার অতীতের সকল গুনাহ মাফ করে দেয়া হয়।’ [বর্ণনায় বুখারী ও মুসলিম]
রমজান ও রোজার ফজিলত সম্পর্কে
বিস্তারিত পড়তে এই লিংকে ক্লিক করুন ••► bn.islamkingdom.com/s1/4881
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন